logo

শিরোনাম

শাহ সিমেন্টের বকেয়া আদায়ে উদ্যোগ নেওয়ায় কর্মকর্তার বদলি, প্রশ্ন ইউনিয়নবাসীর।

নিউজ সেভেন্টি ওয়ান ডট টিভি ডেস্ক
প্রতিবেদন প্রকাশ: ০৬ নভেম্বর, ২০২৬ | সময়ঃ ১২:০০
photo
শাহ সিমেন্টের বকেয়া আদায়ে উদ্যোগ নেওয়ায় কর্মকর্তার বদলি,

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি:
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার পঞ্চসার ইউনিয়নের পশ্চিম মুক্তারপুরে অবস্থিত মেসার্স শাহ সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেডের কাছে ইউনিয়ন পরিষদের ধার্যকৃত ইউপি কর, ট্রেড লাইসেন্স ফি ও বাণিজ্য কর বাবদ ৪ কোটি ৯৩ লাখ ৩৫ হাজার ৪০০ টাকা বকেয়া রয়েছে বলে দাবি করেছে পঞ্চসার ইউনিয়ন পরিষদ।

এ বকেয়া অর্থ আদায়ে আইন ও বিধি অনুযায়ী মেসার্স শাহ সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেড কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার নোটিশ করা হলেও বকেয়া পরিশোধে কোন উর্ধ্ব গ্রহণ করেননি।

photo

 

সর্বশেষ গত ২৬ অক্টোবর ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসক আব্দুর রহমান স্বাক্ষরিত একটি নোটিশ পাঠানো হয় ও ২৭ অক্টোবর  মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) গোলাম মোস্তফা স্বাক্ষরিত মেসার্স শাহ সিমেন্ট ফ্যাক্টরি কর্তৃপক্ষকে ২৮ অক্টোবর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এসে সঠিক জবাব দেয়ার জন্য তলব করা হয়।

 সেদিন তারা না এসে নির্ধারিত সময়ের ৫ দিনপর ফ্যাক্টরি কর্তৃপক্ষ সঠিক কোন জবাব না দিয়ে ১৫ দিনের সময় নেন বলে যানাযায় ।

photo

  ঐদিন ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুহুল আমিন সবুজ দীর্ঘ ৮ বছর ধরে  ইউনিয়ন পরিষদের ধার্যকৃত ইউপি কর, ট্রেড লাইসেন্স ফি ও বাণিজ্য কর বাবদ ৪ কোটি ৯৩ লাখ ৩৫ হাজার ৪০০ টাকা বকেয়া  পরিষদের কথা তুলে ধরেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাছে এতেই কাল হয় পঞ্চসার ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুহুল আমিন সবুজের।

 ২দিন পর স্থানীয় সরকার ঢাকা বিভাগের কার্যালয়ের উপ-পরিচালক (উপসচিব) মোসাম্মৎ সেলিনা বানুর স্বাক্ষরিত বদলী আদেশে পঞ্চসার ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুহুল আমিন সবুজকে কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলার বাংগালপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে আগামী ৯ নভেম্বর এর মধ্যে যোগদানের নির্দেশ দেয়া হয়।

photo

 

পঞ্চসার ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের বড় বকেয়া পরিশোধ না করা 
এছাড়াও শাহ সিমেন্ট ফ্যাক্টরির বিরুদ্ধে রয়েছে পরিবেশ দূষণ, সরকারি জমি দখল ও ব্যক্তি মালিকানা জমি জবর  দখলের নানা অভিযোগ। পরিষদের ধার্যকৃত ইউপি কর, ট্রেড লাইসেন্স ফি ও বাণিজ্য কর এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের বকেয়া থাকলে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের উপরও  নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন ইউনিয়নবাসী।


 মুক্তারপুর এলাকার বাসিন্দা সোলেমান বলেন আমরা ছোটখাটো ব্যবসা করে খাই আমাদের সেই ব্যবসা করতে গিয়ে  ট্রেড লাইসেন্স নিতে হয়  আমারা ৫০০ টাকা ও বকেয়া  রাখতে পারিনা সেই জায়গায় এত টাকা বকেয়া রাখা প্রতিষ্ঠান কিভাবে চলে সরকারের কাছে সেটাই জানতে চাই।

 পঞ্চসার ইউনিয়ন পরিষদের বকেয়া ও নানা অনিয়মের বিষয়ে সিমেন্ট ফ্যাক্টরি কর্তৃপক্ষের সাথে মুটোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলো তাদের পাওয়া যায়নি। 

স্থানীয় এলাকাবাসী বলছেন মুন্সিগঞ্জ ৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন এই অনিয়ম এর বিষয়গুলো গুরুত্ব সহকারে দেখবেন এবং সবকিছুর  ঊর্ধ্বে উঠে সকল অনিয়মের বিরুদ্ধে  ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

  • নিউজ ভিউ 2196