
নিউজ সেভেন্টি ওয়ান ডট টিভি ডেস্ক
সেহেতাব সন্ধি: শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ের ধাপ পেরিয়ে জেলা পর্যায়েও সাফল্য পেয়েছে কন্ঠকুঁড়ি আবৃত্তি একাডেমি। নজরুল বর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় আবৃত্তির তিন বিভাগে প্রথম স্থান পেয়েছে কন্ঠকুঁড়ির তিন প্রশিক্ষণার্থী। আরও দুই প্রশিক্ষণার্থী অর্জন করেছে দ্বিতীয় স্থান।
৭ অক্টোবর মুন্সীগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতা পরিচালনা, শৃঙ্খলা ও বিচারক প্যানেল উপকমিটির আহ্বায়ক ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শরীফ উল্যাহ।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক বিভাগে প্রথম হয়েছে মাহেরা ইসলাম। সে বাগেশ্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাবা মোজাম্মেল মোল্লা এবং মা ইতি আক্তার।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খ বিভাগে প্রথম হয়েছে জুনায়রা হাসান শাইরিন। সে প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাবা খালেদ হাসান এবং মা রেজওয়ানা মরিয়ম।
মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক বিভাগে প্রথম হয়েছে আশহাদিয়া ফাতেমা। সেও প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাবা মুহাম্মদ আল আমিন এবং মা আয়েশা আক্তার।
এছাড়া বিভিন্ন বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে অন্বেষা মিত্র ও সুমাইয়া ইসলাম মুন।
কন্ঠকুঁড়ি আবৃত্তি একাডেমির পরিচালক, শিক্ষক ও সাংবাদিক জিতু রায় বলেন, “শিশুদের এই সাফল্য আমাদের জন্য আনন্দ ও গর্বের। নিয়মিত অনুশীলন, অভিভাবকদের সহযোগিতা এবং নিয়মিত পরিশ্রমের ফলেই এই অর্জন।”
মাহেরা ইসলামের মা ইতি আক্তার বলেন, মেয়ের সাফল্যে তারা আনন্দিত ও গর্বিত। কন্ঠকুঁড়িতে নিয়মিত অনুশীলনের সুযোগ তার আত্মবিশ্বাস বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
কন্ঠকুঁড়ির শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রত্যাশা, জেলা পর্যায়ের এই সাফল্যের ধারাবাহিকতা বিভাগীয় পর্যায়েও অব্যাহত থাকবে।