মুন্সীগঞ্জে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ৪১ লাখ টাকাসহ দুই ভাই গ্রেপ্তার,

নিউজ ডেস্ক | news71.tv
আপডেট : ১৪ অক্টোবর, ২০২৬
নিউজ সেভেন্টি ওয়ান ডট টিভি ডেস্ক
মুন্সীগঞ্জে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ৪১ লাখ টাকাসহ দুই ভাই গ্রেপ্তার,

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি 
মুন্সীগঞ্জ ও টাঙ্গাইলে পৃথক অভিযান চালিয়ে তিনটি বিদেশি পিস্তল, ১১ রাউন্ড গুলি, দুটি ম্যাগাজিন ও ৪১ লাখ ১৯ হাজার ৫০০ টাকাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার শিলই এলাকার দুই ভাই সুজন বেপারী (৩৮) ও মনির হোসেন (৪৫)।


অপরজন মো. বারেক ব্যাপারী (৪৯)।


বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাতে যমুনা সেতু পূর্ব গোলচত্বরে একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে বারেক ব্যাপারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার সকাল ৭টার দিকে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার শিরোইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে সুজন বেপারী ও তাঁর বড় ভাই মনির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এসআরবির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।


প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়, এসআরবি-১১-এর দেওয়া সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে এসআরবি-১৪-এর একটি আভিযানিক দল বুধবার রাত ২টা ১০ মিনিটে টাঙ্গাইলের যমুনা সেতু পূর্ব গোলচত্বর এলাকায় চেকপোস্টে ‘রিয়াজ পরিবহন’ নামের একটি বাসে অভিযান চালায়। এ সময় বাসে তল্লাশি করে একটি হারমোনিয়ামের ভেতরে নিখুঁতভাবে লুকানো দুটি বিদেশি পিস্তল ও সাত রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।  

এ ঘটনায় অস্ত্র বহনের অভিযোগে বারেক ব্যাপারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বারেক জানান, অস্ত্র ও গুলির চালানটি মুন্সীগঞ্জের সুজন বেপারীর কাছে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পিস্তল দুটি সুজন কুষ্টিয়া থেকে কিনেছিলেন বলে তিনি জানান।

পরে তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং অস্ত্র উদ্ধারে এসআরবি-১১-এর সদর কোম্পানির একটি দল মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার শিরোইল এলাকায় সুজন বেপারীর বাসায় অভিযান চালায়। এ সময় সুজন বেপারী ও তাঁর বড় ভাই মনির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তাঁদের বাসায় তল্লাশি করে আরও একটি বিদেশি পিস্তল, চার রাউন্ড গুলি, দুটি ম্যাগাজিন এবং অস্ত্র বিক্রির ৪১ লাখ ১৯ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার করা হয় বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইলের যমুনা সেতু পূর্ব থানা ও মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় পৃথক মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার রোধ, সন্ত্রাস দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।