মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে এমপি কামরুজ্জামান রতনকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় মুন্সীগঞ্জবাসী!

নিউজ ডেস্ক | news71.tv
আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
নিউজ সেভেন্টি ওয়ান ডট টিভি ডেস্ক
মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে এমপি কামরুজ্জামান রতনকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় মুন্সীগঞ্জবাসী!

নিজিস্ব প্রতিনিধি :  গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুন্সীগঞ্জ-৩ (সদর–গজারিয়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ কামরুজ্জামান রতন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক এবং মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক।


নির্বাচনের আগে তিনি মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের জনগণকে আশ্বাস দিয়েছিলেন যে, এই আসনের মানুষ ঈদের আনন্দের মতো উল্লাস নিয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারবেন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে তিনি বারবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কথা বলেছেন, যাতে ভোটাররা নির্বিঘ্নে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন। প্রশাসনও তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছে। একটি সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে সক্ষম হয়েছেন। এর ফলেই ধানের শীষ প্রতীকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে তিনি বিজয়ী হন।


নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন নির্বাচনের আগে মুন্সীগঞ্জবাসীকে যে আশার বাণী দিয়েছিলেন, তা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মুন্সীগঞ্জবাসী তাকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায়।


মুন্সীগঞ্জবাসীর এই দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করে মুন্সীগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক আইনবিষয়ক সম্পাদক এবং বর্তমান মুন্সীগঞ্জ জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য অ্যাডভোকেট আল আরাফ বলেন, “তিনি একজন মানবিক ব্যক্তিত্ব ও সমাজসেবক। তাঁর কাছে সহযোগিতার জন্য গিয়ে কেউ খালি হাতে ফেরেননি। তিনি সব সময় শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে কাজ করেছেন। চিকিৎসা ক্ষেত্রে তিনি সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন এবং খেলাধুলায়ও যথেষ্ট ভূমিকা রেখে আসছেন।”


কামরুজ্জামান রতন ৯০-এর এরশাদবিরোধী স্বৈরাচার আন্দোলনে বারবার কারানির্যাতিত নেতা ছিলেন। বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থান ধরে রাখতে গিয়ে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও একাধিকবার কারানির্যাতনের শিকার হন। তবুও তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন।

স্থানীয় নেতৃবৃন্দের মতে, যদি তিনি মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান, তাহলে মুন্সীগঞ্জের বাস্তবমুখী উন্নয়ন সম্ভব হবে। কারণ বহু বছর আগে এই আসন থেকে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল হাই উপমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তৎকালীন সময়ে যে উন্নয়ন কাজ হয়েছিল, তার অনেকটাই বর্তমানে নষ্ট হয়ে গেছে। বিগত ১৭ বছরে মুন্সীগঞ্জের মানুষ প্রত্যাশিত উন্নয়নের ছোঁয়া পায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।


তাদের দাবি, আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিসভা গঠনের কথা রয়েছে। সেদিনই যেন এমপি কামরুজ্জামান রতনকে মন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়—এমন প্রত্যাশাই ব্যক্ত করেছেন মুন্সীগঞ্জবাসী।