নিউজ সেভেন্টি ওয়ান ডট টিভি ডেস্ক
রাহিদ হোসেন
আর্থিক অভাব-অনটনের দিনগুলোতে জীবন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন তরুণ জাহাঙ্গীর আলম। পড়াশোনার পাশাপাশি এমন একটি কাজের সন্ধান করছিলেন যেখানে নিজের পরিশ্রম ও দক্ষতার মাধ্যমে দাঁড়াতে পারবেন দৃঢ় পায়ে। ঠিক সেই সময়েই হঠাৎ করেই খোঁজ পান ডেলটা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির ফিল্ড পর্যায়ের এজেন্ট নিয়োগের বিজ্ঞপ্তির।
সেই সময়ে তিনি জানতেন না এজেন্টের কাজ কী, কীভাবে কাজ করতে হয়, কিংবা এই পেশা জীবনে কী পরিবর্তন আনতে পারে। তবে কৌতূহল আর প্রয়োজনের তাগিদে যোগ দেন ট্রেনিং স্টেশনে। সেখানে প্রথমবারের মতো জানতে পারেন—এই পেশার লক্ষ্য হলো সমাজের সচ্ছল, সামর্থ্যবান এবং সঞ্চয়ে অনাগ্রহী মানুষদের সঞ্চয়ের প্রতি সচেতন করা এবং নিরাপদ ভবিষ্যতের পথ দেখানো। তার বিনিময়ে এজেন্টকে দেওয়া হয় কমিশনভিত্তিক আয়।
সেই দিন থেকেই শুরু হয় জাহাঙ্গীর আলমের বীমা পেশার পথচলা।
স্বাধীনতার সন্ধানেই বীমা পেশা
তরুণ জাহাঙ্গীর খুঁজছিলেন এমন একটি পেশা যেখানে থাকবে না বাধ্যতামূলক অফিসে বসে থাকার নিয়ম, থাকবে না কঠোর সময়সীমা, থাকবে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ। এমন পেশায় চেয়েছিলেন যেখানে কাজের পাশাপাশি ঘোরা-ফেরা ও ভ্রমণের সুযোগ থাকবে।
ডেলটা লাইফ ইন্স্যুরেন্স ঠিক সেই স্বপ্নই পূরণ করল তার।
মানুষকে সঞ্চয়ের গুরুত্ব বোঝানোর যাত্রা
ডেলটা লাইফের একজন প্রতিনিধি হিসেবে তিনি মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বুঝাতে শুরু করেন নিরাপদ ভবিষ্যতের গুরুত্ব, সঞ্চয়ের প্রয়োজনীয়তা এবং বীমার সুবিধা। ধীরে ধীরে তিনি এই পেশার প্রেমে পড়ে যান—কারণ এখানেই তিনি দেখেছেন মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনার সুযোগ, আর নিজের জীবনে নতুন আলো খুঁজে পাওয়ার পথ।
স্বপ্ন পূরণের প্রথম আনন্দ—নিজস্ব মোটরসাইকেল
এক বছরের মাথায় তিনি পেলেন সেই প্রাপ্তি, যা প্রতিটি ছেলের জীবনে বড় এক স্বপ্ন—একটি মোটরসাইকেল।
২০০০ সালের সেই দিনের কথা আজও তার চোখে ভাসে। এটাই ছিল তার প্রথম বড় সাফল্য, যা তাকে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তোলে।
২৫ বছরের দীর্ঘ পথচলা—অভিজ্ঞতা, অর্জন ও স্বপ্নের সমাহার
ধীরে ধীরে কেটে যায় দিন, মাস, বছর। মানুষের ভালোবাসা, আস্থা এবং নিজের সততা—সব মিলিয়ে তিনি ডেলটা লাইফের একজন অভিজ্ঞ, সফল ও বিশ্বস্ত প্রতিনিধি হিসেবে গড়ে ওঠেন।
আজ ২৫ বছর পেরিয়ে জাহাঙ্গীর আলম গর্বের সঙ্গে বলতে পারেন—
“ডেলটা লাইফ আমাকে শুধু একটি পেশা দেয়নি, দিয়েছে স্বাধীনতা, সম্মান, অভিজ্ঞতা, সামাজিক মর্যাদা এবং একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ।”
এ পেশার মাধ্যমে সৃষ্টি হয় সামাজিক মর্যাদা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা স্বাধীন এ পেশাটিতে থেকেও দেশ ও সমাজের স্বার্থে সুযোগ পেয়েছেন লিখনের মাধ্যমে অনিয়ম দুর্নীতির কথা তুলে ধরতে।তারই হাত গড়ে উঠেছে জনপ্রিয় অনলাইন গণমাধ্যম নিউজ সেভেন্টি ওয়ান ডট টিভি এছাড়াও বাংলাদেশ ইন্সুরেন্স ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি মুন্সিগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি দায়িত্ব পালন করেছেন, মুন্সিগঞ্জ জেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও ছিলেন তিনি।
পারিবারিক জীবনে তার এক মেয়ে,এক ছেলে
ডেলটা লাইফ ইন্স্যুরেন্সে তার এই ২৫ বছরের পথচলা শুধুই একটি কর্মজীবনের গল্প নয়—এটি সংগ্রাম, অধ্যবসায়, পরিশ্রম, সাফল্য ও স্বপ্নপূরণের গল্প।